সিগারেট থাকলে বিড়ি রাখার দাবি ভোক্তাদের

Post Iamge

Advertise

দেশে যতদিন সিগারেট থাকবে, ততদিন বিড়ি রাখার দাবি জানিয়েছে সর্বস্তরের ভোক্তা পক্ষ।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন তারা।

ভোক্তাপক্ষের দাবি, ভারতের ন্যায় বিড়িকে কুটিরশিল্প ঘোষণা দিয়ে এর ওপর সব কর প্রত্যাহার করতে হবে। কোনো সরকারি আমলা বিদেশি বহুজাতিক কোম্পানির ডাইরেক্টর পদে থাকতে পারবে না। এ ছাড়া সিগারেটের ন্যায় বিড়িকেও ২০৪০ সাল পর্যন্ত সময় দিতে হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছেন ভোক্তারা।

ভোক্তাপক্ষের সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউর রহমানের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সভাপতি মো. খালেদুর রহমান।

এ ছাড়া বক্তব্য প্রদান করেন সহসভাপতি রবিউল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মো. সাগর আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তফা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান, সদস্য হাবিবুর রহমান, প্রচার সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে অর্ধসহস্রাধিক বিড়ি ভোক্তা উপস্থিত ছিলেন।

বিড়ি ভোক্তাপক্ষের প্রচার সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর সময়ে বিড়িকে কুটিরশিল্প ঘোষণা করে সব কর মুক্ত করা হয়েছিল। বর্তমানে ব্রিটিশ আমেরিকান কোম্পানির দুষ্কৃতকারীরা ষড়যন্ত্র করে বিড়ি শিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে।

এ দেশের কিছু মীরজাফর তাদের সহযোগিতা করে দেশীয় শিল্পের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। অতীতে দেশ মুক্তির সব আন্দোলনে বিড়ি শ্রমিকরা অংশগ্রহণ করেছিলেন। বর্তমানেও বিড়ি শ্রমিকরা কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে সব ষড়যন্ত্র রুখে দেবেন। দেশে সিগারেট যতদিন থাকবে ততদিন বিড়িও থাকবে।

এ ছাড়া বন্ধ বিড়ি কারখানাগুলো খুলে দেয়ার দাবি জানান তিনি।

ভোক্তাপক্ষের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান বলেন, পাকিস্তান আমল থেকে আমরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছি। কিন্তু বাঙালি কোনো বৈষম্য সহ্য করে না।

ভোক্তাপক্ষের সাধারণ সম্পদক মো. মোস্তফা বলেন, ব্রিটিশ-আমেরিকান কোম্পানি ষড়যন্ত্র করে বেশি টাকায় আমাদের সিগারেট ধূমপান করতে বাধ্য করছে। আমরা কখনও ব্রিটিশদের এ ষড়যন্ত্র পূর্ণ হতে দেব না।

সম্পর্কিত পোস্ট

Add Comment

অন্যান্য সংবাদ